মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ এপ্রিল ২০২১

ইন্সটিটিউটের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১৯৬২ সালে “সিভিল” এবং “পাওয়ার” টেকনোলজি নিয়ে বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হয়। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের জেলাসদরে ১৬টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করে। বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট তারই একটি। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে মেকানিক্যাল টেকনোলজি, ১৯৮১ সালে “ইলেকট্রিক্যাল” টেকনোলজি চালু করা হয়।  ১৯৯৪ সালে “ইলেকট্রনিক্স” টেকনোলজি, ২০০২ সালে “কম্পিউটার” এবং ২০০৬ সালে ইলেকট্রোমেডিক্যাল টেকনোলজি এবং ২০১৬ সালে ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট চালু হয়। বর্তমানে প্রতিবছর ০৮টি টেকনোলজিতে মোট ১৬০০ জন  ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ১২.৫ একর জমির উপর স্থাপিত বিশাল অবকাঠামোর এই প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক-কাম-একাডেমিক ভবন-১, একাডেমিক ভবন-২, ওয়ার্কশপ/ল্যাবরেটরী ও অত্যাধুনিক মেশিন ও যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে মানসম্মত কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। ১টি ছাত্রাবাসে ২২০ জন ছাত্র এবং ১টি ছাত্রী নিবাসে ৬৪ জন ছাত্রী আবাসিকসহ সর্বোত্তম সুযোগ-সুবিধাসহ লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। ক্যাম্পাসে শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। জ্ঞানাহরণের জন্য ৩৫৮৪৪ টি পুস্তক সমৃদ্ধ একটি সুপরিসর লাইব্রেরী, প্রবেশ দ্বারে সম্মুখে ঘাট বাধাই করা সুবিশাল পুকুর, পাশেই একটি মসজিদ, ক্রীড়ার জন্য রয়েছে বিরাট খেলার মাঠ  যা মেধা ও মননশীল মানবসম্পদ তৈরীতে সহায়ক ভূমিকা রেখে ইনস্টিটিটের শোভা ও মান ও বৃদ্ধি করছে। 

বর্তমান  বাংলাদেশ সরকার বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিষয়ক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ  উৎপাদনের ক্ষেত্রে পলিটেকনিক শিক্ষার উপর যে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কারিগরি শিক্ষার সেই গুরুত্ব লালন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েট ও স্বল্পমেয়াদী ট্রেডকোর্স এর মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরী করে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। 


Share with :

Facebook Facebook